মো: আব্দুল বাতেন বাচ্চু :
শ্রীপুরে প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় বিষ খেয়ে স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্য
গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় পরিবারের সাথে অভিমানে ইঁদুরের বিষ খেয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. সুমন (১৬) নামে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২ ডিসেম্বর)বেলা সাড়ে এগারোটারা দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার বিকালে ইঁদুর মারার বিষ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে ওই স্কুল ছাত্র।
নিহত স্কুল ছাত্র মো. সুমন মিয়া জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাঘারচর গ্রামের মুদি দোকানী মো. রানা মিয়ার ছেলে। তার বাবা শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের মাওনা উত্তর পাড়া গ্রামের সবুজ খানের মার্কেটে মুদি দোকান পরিচালনা করতেন। সে তার বাবার সঙ্গে থেকে স্থানীয় হাজ্বী ছোট কলিম উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করতো।
নিহত স্কুল ছাত্রের বাবা মুদি দোকানি রানা মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে যুগান্তরকে জানান, গত শুক্রবার বিকালে খালি বাসায় ঘরের দরজা বন্ধ করে ঘরে রাখা ইঁদুর মারার বিষ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে সুমন। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ক্লিনিক ও পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করানো হয়।
শনিবার (২ ডিসেম্বর)বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মাওনা ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. শামীম মৃধা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শনিবার দুপুরে নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন স্কুল ছাত্র সুমন মারা গেছে।
হাজ্বী ছোট কলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নান স্বজল বলেন, নিহত স্কুল ছাত্র মো. সুমন ২০২৪ সালের এএসসি পরিক্ষার্থী ছিল। উক্ত স্কুলের নিহত সুমনের সহপাঠীরা জানান,একই স্কুলের এক ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল সুমনের। প্রেমের সম্পর্ক মেনে নেওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সাথে অভিমানে বিষ পান করে সে।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডাঃ জাকিরুল ইসলাম বলেন, বিষ ক্রিয়ায় ওই স্কুল ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহ স্বজনদের বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) এ এফ এম
নাসিম দেশ টিভি বাংলা কে বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় লাশটি আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।